Menu

ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু হওয়ার পর দুই পিকআপ টাকা ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের দিকে গেছে!

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | অনলাইন ডেস্ক


গত ১৮ সেপ্টেম্বর ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু হওয়ার দুই দিন পর দুই পিকআপ ভর্তি টাকা গেছে চট্টগ্রামের দিকে! গোয়েন্দাদের অনুসন্ধানে এমন তথ্য বেরিয়ে এসেছে। এই টাকা কোথায় গেছে, কার টাকা, এখন কী অবস্থায় আছে- সব কিছু উদঘাটনের চেষ্টা করছে একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা।

হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করার আগেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান শুরু হওয়ায় দুর্নীতিবাজ নেতারা এখন বেকায়দায়। এমন পরিস্থিতিতে পড়তে হবে এটা তাদের ধারণাতেই ছিল না। তাই অনেকে বস্তায় ভরে টাকা পাঠিয়ে দিচ্ছেন গ্রামের বাড়িতে, আত্মীয়-স্বজনদের কাছে। সম্প্রতি একজন প্রকৌশলী কয়েক বস্তা টাকা তাঁর এক আত্মীয়ের বাড়িতে রাখতে যান। কিন্তু ঐ আত্মীয় রাখতে রাজি হননি।

জানা গেছে, অবৈধ টাকা রাখার জায়গা খুঁজে পাচ্ছে না অবৈধ ক্যাসিনো পরিচালনা, দুর্নীতি, মাদক, টেন্ডারবাজি ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত এক শ্রেণির রাজনৈতিক নেতা। কয়েক শত কোটি টাকা নিয়ে তারা বিপাকে পড়েছেন। সূত্র জানায়, উল্লিখিত দুই পিকআপ ভর্তি টাকা খালেদ মাহমুদ ভুঁইয়া কিংবা এমন এক নেতার হতে পারে যার নামের আদ্যক্ষর ‘স’। গোয়েন্দারাও এমনটি ধারণা করছেন। সম্প্রতি অভিযানে গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে খালেদ মাহমুদ ভুঁইয়া ও ‘স’ আদ্যক্ষরের ঐ নেতার টাকা সবচেয়ে বেশি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ধারাবাহিকতায় চলছে শুদ্ধি অভিযান। এ অভিযানের ফলে দীর্ঘদিন ধরে অপকর্ম করে পার পেয়ে যাওয়া আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা আছেন ‘দৌড়ের ওপর’।

দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে এ পর্যন্ত যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে অনেক গডফাদারের নাম চলে এসেছে। গ্রেফতারকৃতরা অনেক আমলা, মন্ত্রী, এমপি, প্রভাবশালী রাজনীতিক এমনকি কিছু ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তার নামও বলেছেন, নাম এসেছে প্রভাবশালী অনেক সাংবাদিকের; যারা আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে অবৈধ উপায়ে কাড়ি কাড়ি টাকা বানিয়েছেন এবং বিদেশে পাচার করেছেন।

সূত্র জানায়, দুর্নীতিবাজরা সিংহভাগ টাকা পাচার করেছেন ব্যাংককে অবস্থানকারী চট্টগ্রামের শাহীন চৌধুরী নামের হুন্ডি ব্যবসায়ী ও চোরাকারবারির মাধ্যমে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে এই নাম। রাজনৈতিক নেতা থেকে শুরু করে আমলা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক শ্রেণির কর্মকর্তা শাহীন চৌধুরীর মাধ্যমে বিদেশে টাকা পাচার করেছেন।


পাকিস্তানকে বিভক্ত করতে ভারত স্বাধীনতা সংগ্রামে সহায়তা করেছিল : আসিফ নজরুল

ড. আসিফ নজরুল


বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ভারত কেন সহায়তা করেছিল? করেছিল মূলত নিজের স্বার্থে। প্রথম স্বার্থ ছিল শত্রুরাষ্ট্র পাকিস্তানকে বিভক্ত করা। দ্বিতীয় স্বার্থ ছিল বাংলাদেশকে চুষে খাওয়ার চিন্তা। কায়দামতো সরকার এদেশে প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি বলে সেটি অনেকদিন পর্য্ন্ত করতে পারেনি ভারত। ওয়ান-ইলেভেন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে ধাপে ধাপে সেই লক্ষ অর্জিত হয়েছে। বাংলাদেশকে চুষে খেতে দিতে রাজী বা বাধ্য সরকার অবশেষে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এদেশে।

এখন আমার মনে হয় ১৯৭১ সালে একা পাকিস্তানের সাথে লড়ে দেশ স্বাধীন করতে পারলে ভালো হতো। সেটা বোধহয় অসম্ভব ছিল না। যদি আমাদের মধ্যে স্বাধীনতাবিরোধী তৈরী না হতো, যদি আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকতাম, আমাদের ভূপ্রকৃতি আর জলবায়ুতে বেশীদিন টিকে থাকতে পারতো না পাকিস্তানের সৈন্যরা।

মাথামোটা শয়তান পাকিস্তানীদের তাড়িয়ে আমরা এখন পরেছি শেয়ালবুদ্ধির ভারতের খপ্পরে।

ফেসবুক থেকে

সূত্র :: ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম

শেয়ার করুন:

এই নিউজটি আপনার বাংলাদেশী বন্ধুদের মোবাইলে এসএমএস এ শেয়ার করুন।

AdsMic